Find us on

বন্যা পরিস্থিতি উত্তরবঙ্গে, ভাসছে ডুয়ার্স, কোচবিহার
উত্তরবঙ্গ
প্রথম পাতা

ওয়েব ডেস্ক, ১২ আগস্টঃ শুক্রবার সারাদিন ও রাতভর বৃষ্টিতে বন্যা পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে ডুয়ার্স ও কোচবিহারে। ভাসছে জলপাইগুড়ি, ময়নাগুড়ি, ধূপগুড়ি, ফালাকাটা, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার শহরও। রাতেই লাল সংকেত জারি করা হয়েছিল কালজানিতে। চরম সতর্কতা জারি করেছিল ভুটান সরকারও। কালজানি ছাড়াও জল বাড়ছে তোর্ষা, রায়ডাক, সংকোশ, নোনাইয়ের মতো নদীগুলিতে। আজ সকালে কোচবিহারের মাথাভাঙ্গায় মানসাইতে লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। তিস্তার দোমহনি থেকে বাংলাদেশ সীমান্ত পর্যন্ত অসংরক্ষিত এলাকায় হলুদ সংকেত জারি হয়েছে। ভুটানে বৃষ্টির জেরে জলঢাকাতেও হলুদ সংকেত জরি হয়েছে।

বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে গোটা ডুয়ার্সের যোগাযোগ। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা বানারহাটের। ইতিমধ্যেই সেখানকার বিস্তীর্ণ এলাকা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। ধূপগুড়ি-ফালাকাটার মধ্যে বালাসুন্দরের কাছে ৩১ডি জাতীয় সড়কের উপর দিয়ে ডুডুয়ার জল বইছে। এখানে রাস্তা বসে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। গয়েরকাটার রাস্তায় গিলান্ডি নদীর জল বইছে। ধূপগুড়ি শহরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে কুমলাইয়ের জল ঢুকেছে। জলমগ্ন বিধায়ক মিতালি রায়ের বাড়ি। ময়নাগুড়িতে বহু এলাকা ভাসছে।

জলপাইগুড়ি শহর কার্যত অবরুদ্ধ। ভোরের দিকে জল সামান্য কমলেও বেলার দিতে বৃষ্টি বাড়ায় পরিস্থিতি ঘোরাল হয়ে উঠেছে। সব ওয়ার্ড জলমগ্ন। জলপাইগুড়ি গার্লস স্কুলে প্রায় ৬০ মিটার সীমানা প্রাচীর ভেঙে পড়েছে। পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক হয়েছে করলার জল বাড়তে থাকায়। নতুন করে করলার জল ঢুকেছে দিনবাজার, সমাজপাড়া, নিজমাঠ এলাকায়।

আলিপুরদুয়ার শহর শুক্রবার রাত থেকেই জলবন্দি। শমিবার সকালেও পরিস্থিতির এতটুকু উন্নতি হয়নি। শহরের বহু এলাকায় বিদ্যুৎ নেই। টেলি যোগাযোগও বিচ্ছিন্ন।

ছবিঃ শনিবার ভোরে অঝোর বৃষ্টি জলপাইগুড়ি শহরে।– প্রদীপ সরকার

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *