উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃ ইমরান খানের গ্রেপ্তারির পর থেকেই অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি পাকিস্তানের। তেহরিক-ই-ইনসাফের সমর্থকদের তাণ্ডবে পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণের বাইরে। ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ছে হিংসা অশান্তি। রাওয়ালপিন্ডি, লাহোর, করাচি, গুজরানওয়ালা, ফয়জলাবাদ, মুলতান, পেশোয়ার এবং মারদান এলাকায় বিক্ষোভ চলছে ইমরান খানের সমর্থকদের। রাওয়ালপিন্ডিতে ইমরান খানের সমর্থকরা পাক সেনার হেডকোর্য়াটারের মূল গেট পেরিয়ে ভিতরে ঢুকে পড়েন এবং সরকারবিরোধী স্লোগান তুলতে থাকেন। ভিতরে ঢুকে দেদারে ভাংচুর চালানোর অভিযোগ উঠেছে পিটিটিআই সমর্থকদের মধ্যে। যদিও পাক সেনা সেখানে পরিস্থিতি সামলে আনে।
Unprecedented in Pakistan https://t.co/33cxtP91Mv
আরও পড়ুনক্রীড়া জগতে নক্ষত্রপতন: চিরনিদ্রায় মোহনবাগান অন্তপ্রাণ ‘টুটু’ বসু (Tutu Bose)TMC Digital Meet | ‘হারিনি, আমাদের হারানো হয়েছে’, ডিজিটাল যোদ্ধাদের মনোবল চাঙ্গা করতে ‘ভোকাল টনিক’ মমতা-অভিষেকের— Usama Khilji (@UsamaKhilji) May 9, 2023
পেশোয়ারের সেনা শিবিরে একই কায়দায় ঢুকে লাগানো হল আগুন। হামলা হয় করাচি সেনা নিবাসেও। লাহোরেও ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় বিক্ষোভ প্রদর্শন চলে। তেহরিক-ই-ইনসাফের সমর্থকদের একটি বিশাল দল পাক সেনার কর্পস কমান্ডারদের বাসভবন চত্বরে ঢুকে পড়ে এবং ভাঙচুর চালায়। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে কোনও ক্ষেত্রেই নিরাপত্তায় মোতায়েন পাক জওয়ানেরা শক্তি বা অস্ত্র প্রয়োগ করে বিক্ষোভকারীদের আটকানোর চেষ্টা করেননি। করাচি ও রাওয়ালপিন্ডিতে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষুব্ধ জনতার খণ্ডযুদ্ধের পরিস্থিতিও তৈরি হয়। ভিড় ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটায়। পুড়িয়ে দেওয়া হয়ে অজস্র পুলিশের গাড়ি। এমনকি পুলিশকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটেছে।
এদিন দুপুরে একটি মামলার শুনানির জন্য ইসলামাবাদ হাইকোর্টে হাজিরা দিতে যাচ্ছিলেন ইমরান। সেই সময়ে আদালত চত্বর থেকেই তাঁকে গ্রেপ্তার করেছিল পাক রেঞ্জাররা। তাঁর গ্রেপ্তারের পর থেকেই পাকিস্তানের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে শুরু করেন তেহরিক-ই-ইনসাফের সমর্থকরা। বিক্ষোভ, প্রতিবাদের সুর ক্রমেই চড়তে থাকে। ইতিমধ্যেই পরিস্থিতি সামাল দিতে রাজধানী ইসলামাবাদে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। বড় মাপের কোনও জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। যারা নিয়ম ভাঙবে, তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছে ইসলামাবাদ পুলিশ।



